1. admin@songbadmoulvibazar.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশব্যাপী গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল কোয়াবের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন মৌলভীবাজারের এলিন প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জেলা প্রশাসকের আধুনিক শহর ও সড়ক ভাবনা নিয়ে পৌরসভা-পুলিশের সুধী সমাবেশ মহলাল স্কুল কমিটি নিয়ে মামলা, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ সিলেটে গণসমাবেশ সফলে জেলা বিএনপির মতবিনিময় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেয়ে সচ্ছল জীবনের স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা ১১ জন হালকা কুয়াশা: প্রকৃতিতে শীতের আমেজ জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা নেতার ভোটে নেতা নির্বাচন কাল:প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল সদস্য পদে

বড়লেখায় বন্যায় শিশুসহ দুজনের মৃত্যু: দুইশত গ্রাম প্লাবিত

বড়লেখা প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হাকালুকি হাওরের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের দুইশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এদিকে ভারী বর্ষণে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউপির আয়েশাবাদ চা বাগানে টিলা ধসে রাজন ব্যুনার্জি (৬০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় চারজন আহত হয়েছেন। এছাড়া বড়লেখা সদর ইউপির কেছরিগুল গ্রামে টিলা ধসে আর একজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আদিত্যের মহাল এলাকায় ঢলের পানিতে শনিবার তলিয়ে যাওয়া এক শিশুর মরদেহ রোববার (১৯ জুন) উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই শিশুর নাম এখনও জানা যায়নি।

পৌরশহরের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও দোকানপাটে পানি উঠেছে। এছাড়া উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এখাকার মানুষজন। পানিতে চান্দগ্রাম-মৌলভীবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত বন্যায় বড়লেখা উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপির চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন,  টিলা ধসে একজনের মৃত্যু হয়েছে, এসময় চারজন আহত হয়েছেন। টিলার পাদদেশে যারা ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন, তাদের নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে।

বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী বলেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বড়লেখা পৌরসভার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে পানি উঠেছে। এতে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রোববার শহর থেকে পানি নেমে গেলেও পৌরসভার নিচু এলাকা এখনও পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পৌরশহরের প্রায় সবকটি দোকানে পানি উঠে ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা হয়নি। এছাড়া আদিত্যের মহাল এলাকায় শনিবার ঢলের পানিতে পড়ে তলিয়ে যাওয়া এক শিশুর মরদেহ রোববার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, বড়লেখায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ও টিলা ধস প্রতিরোধে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পাশাপাশি ২১ টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র এবং বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য শুকনো খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে। রোববার তিনি পানিবন্দি এলাকায় শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন।

পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম এমাজ উদ্দিন সরদার বলেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশন পানিতে নিমজ্জিত ছিলো। পানি এখন নেমেছে। তবে ভারী বৃষ্টি হলে তা আবার তলিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্নস্থানে ২০টি বড় গাছ পড়েছে। ১৮টি স্থানে তার ছিড়েছে। ২২টি স্থানের কোথাও পল্লী বিদ্যুতের পোল ভেঙে গেছে, কোথাও হেলে পড়েছে ও আবার কোথাও তা পড়ে গেছে। ২৬টি মিটার ভেঙে গেছে। ১৬টি ইন্সুলেটর ভেঙে গেছে। ০৮টি ক্রস আর্ম ভেঙে গেছে। ১২টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে গেছে। ২১ কিলোমিটার লাইন পানিতে তলিয়ে গেছে। কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। পল্লীবিদ্যুতের লোকজন লাইন মেরামতে কাজ করছেন। পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আর সময় লাগবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সংবাদ মৌলভীবাজার
Theme Customized BY Songbad Moulvibazar
error: Content is protected !!