1. admin@songbadmoulvibazar.com : admin :
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ৫.৬ ডিগ্রি : হিমেল হাওয়ায় স্থবির জনজীবন মেয়র ফজলুর রহমান উন্মুক্ত দ্বৈত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাংবাদিকদের সাথে সদর থানার ওসির মতবিনিময় হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফার ৬৮২তম ওরস মোবারক রাজনগরের সংসদীয় আসন,গ্যাস ও পৌরসভার দাবীতে মতবিনিময় মসজিদের মাইক ফেসবুক ও ইউটিউব ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ২৭৫ জন দরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষদের শীত বস্ত্র দিল আলোর পথে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আয়োজনে চলছে ৮দিনব্যাপী জেলা বইমেলা বিএনপির ১০দফা দাবী বাস্তবায়ন ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে গণমিছিল রাজনগর আওয়ামীলীগের সদ্য ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখান করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি

বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ডের পুনঃখনন,আশা ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

সিলেট প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বন্ধ হওয়ার ছয় বছর পর সিলেটের বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের পরিত্যক্ত এক নম্বর কূপের খনন কাজ আবার শুরু হয়েছে। নতুন করে উত্তোলন হতে যাওয়া কূপটি থেকে প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিয়ানীবাজারে গ্যাসক্ষেত্রের পরিত্যক্ত ওই কূপ খননের কাজ শুরু হয়। এসময় সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমানসহ বাপেক্স ও সিলেট গ্যাসফিল্ডসের উর্ধতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন। খনন কাজ শুরুর আগে দোয়ার আয়োজন করা হয়।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের সূত্রে জানা যায়, সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের আওতাধিন বিয়ানীবাজার গ্যাসেক্ষেত্রে দুটি কপ রয়েছে। এরমধ্যে ১ নং কুপ থেকে ১৯৯৯ সালে উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফের ২০১৬ সালের শুরুতে উৎপাদন শুরু হয়ে আবার ওইবছরের শেষদিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে পরে। এরপর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিলো এটি। তবে এখানে এখনও গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে বাপেক্সের অনুসন্ধানে জানা যায়। ফলে এই কূপ আজ থেকে আবার খনন কাজ শুরু হলো। এই গ্যাস কেন্দ্রের ২ নম্বর কুপ থেকে প্রতিদিন সাত থেকে সাড়ে সাত মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে বলে জানান বাপেক্সের কর্মকর্তারা।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, মাসখানেকের মধ্যেই এই কূপ খনননের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। এরপর থেকে উৎপাদন শুরু করা যাবে। আমদের ধারণা এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস পাওয়া যাবে। তবে খনন কাজ শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে তা বলা যাবে না।

গ্যাসের জন্য খ্যাতি রয়েছে সিলেটের। ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান মিলে। এরপর আবিস্কৃত হয়েছে আরও বেশ ক’টি গ্যাসক্ষেত্র। দেশে বর্তমানে ২৮ টি আবিস্কৃত গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এসব গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুদ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সংবাদ মৌলভীবাজার
Theme Customized BY Songbad Moulvibazar
error: Content is protected !!